ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ , , ৭ সফর ১৪৪০

ইসলামপুরে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

জামালপুর প্রতিনিধি । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮ ৪:৪৬ দুপুর

বাঙ্গালী জাতীর সূর্য সন্তান একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জামালপুরের ইসলামপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সংলগ্ন থানা মোড়ে ২ ঘন্টাব্যাপী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাগেছে,রোববার দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ কমিটির আয়োজনে যুদ্ধকালীন ও ইসলামপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল বারী মন্ডলের সভাপতিত্বে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা শাহাদৎ হোসেন স্বাধীন, মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম, আবু তাহের মিয়া, আব্দুর রফিক সরকার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আগামী নির্বাচনে যে ইসলামপুরে নৌকা প্রতীক পাবে মুক্তিযোদ্ধারা তার পক্ষেই কাজ করবে। কিন্তু সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বিধাবিভক্ত করতে রাজনীতি করা হচ্ছে। বক্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রাজনীতি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা হরিদাস মাঝির ভাতা পেতে কালক্ষেপন হওয়ায় দ্রুত তার পরিবার যাতে ভাতা পায় সেই দিনে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সহ প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন।

সাবেক কমান্ডার আব্দুল বারী মন্ডল তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল এর বাবা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হবিবুর রহমান খানকে নিয়ে যে সকল কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য রাখা হয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি সব সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন। তিনি আরো বলেন আঃ গফুর প্রধানের ভাই মুক্তিযোদ্ধা ছিল। গফুর প্রধানকে আমরা মুিক্তযোদ্ধা করতে দেখিনি। তবে বয়স্ক মানুষটি লাঞ্চিত হওয়া নিন্দা জানান।

মুক্তিযোদ্ধা শাহাদৎ হোসেন স্বাধীন বক্তব্যে বলেন- বর্তমান এমপি ফরিদূল হক খান দুলালের বাবা হাবিবুর রহমানকে নিয়ে বলেন-যে লোকটি মুক্তিযোদ্ধাদের খাওয়ালেন পড়ালেন তাকে রাজাকার বলে কটুক্তি করা মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই অপমান করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রয়াত যুদ্ধকালীন কোম্পানী কমান্ডার শাহ জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে এমপি সাহেবের বাবা হবিবুর রহমান খানকে সাথে নিয়ে আমরা প্রথম ইসলামপুর থানায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলাম।
অথচ আমাদের কিছু মুক্তিযোদ্ধা তাকে পীচ কমিটির সদস্য বলে কটুক্তি করে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি করছেন।এ সময় তিনি গফুর প্রধান একজন অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন-আমরা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি সবার সন্মূখে তাকে কোন প্রমান ও কোন প্রমান পত্র না থাকায় তাকে বাতিল করেছি। তাকে তিনি অমুক্তিযোদ্ধা বলেই আখ্যায়িত করেন।

তাকে নিয়ে ইসলামপুরে রাজনীতি শুরু করেছে। তাকে লাঞ্চিত করেছে এর তীব্র নিন্দা জানাই। তবে তাকে নিয়ে আওয়ামী লীগের নোংরা রাজনীতি আমরা মেনে নেবনা। আমরা আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।