ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭ , , ২৮ সফর ১৪৩৯

উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ: আমিরাতে ব্যারিস্টার জাকিরের সংবর্ধনায় খাদ্যমন্ত্রী 

এম এনাম হোসেন । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৭ ১১:৫৬ সকাল

সংযুক্ত আরব আমিরাত ::  বর্নাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে শুক্রবার রাত ৮ টায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ’র হলিডে ইন হোটেলে নবীনগরের জননন্দিত শিক্ষাবান্ধব ও কর্মীবান্ধব জননেতা এবং প্রবাসীদের প্রিয়মুখ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কৃতি সন্তান, পরিচ্ছন্ন ও মেধাবী রাজনৈতিক ব্যক্তি, মুজিব আদর্শে সৈনিক, জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ভাজন ব্রাহ্মণবাড়ীয়া নবীনগরের জনসাধারণের প্রিয় মানুষ, আলহাজ্ব ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদকে গন সংবর্ধনা দেন সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সমিতি।

সন্ধ্যায় হলিডে ইন হোটেলে শত শত প্রবাসীরা এসে সমবেত হন অনুষ্ঠানস্থলে। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো হল রুম। নবীনগরের যুবসমাজের অহংকার গোপালপুর গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক কমিউনিটির নেতা ও সমিতির সভাপতি শাহ মাকসুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক কমিউনিটির নেতা প্রবাসীদের অত্যান্ত প্রিয় মানুষ সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ আবু আহাদ।

অনুষ্ঠানে ভিবিন্ন ব্যবসায়ী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ সহ ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় সহস্রাধিক লোকের উপস্থিতিতে পাঁচতারকা হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল হলরুমে ছিল কানায় কানায় পূর্ন ছিল। সমিতির সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন কাউসারের সঞ্চালনায় স্মরণকালের স্মরনীয় এ অনুষ্ঠানে হঠাৎ করে সবার চোখে ফাকি দিয়ে এসে উপস্থিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এমপি।

এ সময় মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমার আজ এখানে আসার কথা নয়। যখনই শোনলাম ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদের সংবর্ধনা তাই না এসে পারলাম না। কারন সে আমার অনেক প্রিয় এবং সে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ও অনেক স্নেহভাজন। আজকের এ বিশাল অনুষ্ঠান প্রমান করে ব্যারিস্টার জাকির শুধু দেশে নয় বিদেশেও তার জনপ্রিয়। সে আমাদের গর্ব। তিনি আরো বলেন রোহিঙ্গা ইস্যুতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাসীকে নিজের অনুকূলে নিয়ে এসেছেন এবং জাতীসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দফার মাধ্যমে, খুব শীঘ্রই মায়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে আমাদের বিশ্বাস।

এই সময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নের মহা সড়কে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্বের মাঝে রোল মডেল হিসেবে তৈরী করেছেন। নবীনগরের পূর্ব ইউনিয়নের গর্ব কাইতলা গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক কমিউনিটির নেতা প্রবাসীদের অত্যান্ত প্রিয় মানুষ সৈয়দ আহাদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ আবু আহাদ তার বক্তব্যে বলেন নবীনগরের উন্নয়নে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদের বিকল্প নাই। তাঁর রাজনৈতিক পথ চলায় আমার শতভাগ সমর্থন থাকবে এবং আগামীতে নবীনগরের প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদকে মনোনয়ন দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবী জানান।

সকলের উপস্থিতিতে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সকলের একটাই দাবী প্রিয়নেতা ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ ভাইকে আগামী দিনে নবীনগরের এমপি হিসেবে দেখতে চাই । নবীনগরের যুবসমাজের অহংকার গোপালপুর গ্রামের আর এক কৃতি সন্তান ও সমিতির সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ বলেন এমন সুন্দর একটা অনুষ্টান আয়োজন করতে গিয়ে আনন্দে বুক ভরে যায়। তিনি সমিতির সকল কর্মকর্তা ও আগত অতিথিদের ধণ্যবাদ জানিয়ে তাদের প্রতি কৃতঞ্জতা প্রকাশ করেন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদকে সমর্থন জানিয়ে এম পি হিসাবে দেখতে চান।

সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদকে ফুল অভিনন্দন জানান ও ক্রেস্ট উপহার দেন। ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে এমন বিরল ও ঐতিহাসিক সম্মান প্রদান করায় সকল প্রবাসীদের কাছে আমি চির দিন বেচে থাকতে চাই। মানুষের কল্যানে সারা জীবন রাজনীতি করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন এত সুন্দর একটা আয়োজন দেখে আনন্দে বুকটা ভরে যায়। তিনি বলেন আমার যখনই সুযোগ হবে তখনই ছুটে আসবো আপনাদের মাঝে ।

এ সময় অন্যান্নদের মাঝে বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী নোওশের আলী, মোহাম্মদ সজীব, ইসমাইল গনি চেীধুরী, মোঃ শাহজাহান মিয়াজী, হাজী শফিকুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ আলী, মাহাবুব হোসেন, হাফেজ আব্দুল হক, শেখ মোহাম্মদ ইউছুফ, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, তাজ উদ্দিন, জি এম জায়গীরদার, এয়ার মোহাম্মদ ও এম কামাল। অনুষ্ঠানে ভিবিন্ন গনমাধ্যমের ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এক নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়।