ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ , , ৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯

কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে কৃষক দিবস চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ ১২:৫৩ দুপুর

কৃষকদের বিশেষ মর্যাদা প্রদান , বয়স ৫০ বছর পার হলে অবসর ভাতা প্রদান , বছরের একটি দিনকে কৃষক দিবস ও সর্বক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের জন্য কোটা ব্যবস্থা রাখা হউক।। এছাড়াও চাষাবাদকে সরকারিকরন ও বন্য হাতির আক্রমন থেকে কৃষকদের রক্ষা করা হউক। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ।

দেশের ৮০ভাগ কৃষক শ্রেনীর মানুষকে বিশেষ মুল্যায়ন না করলে এদেশ কখনো এগিয়ে যাবেনা। ভোর ছয় ঘটিকা থেকে সন্দ্যা ছয় ঘটিকা পর্যন্ত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে জমিতে কাজ করে ফসল ফলায় আমার দেশের কৃষক। যা খেয়ে দেশের সর্বস্থরের মানুষ বেঁচে থাকি। দেশের কৃষক এবং কৃষকের সন্তানেররাও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অপরিসীম ভুমিকা রয়েছে। কৃষকদের ব্যাপারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কবি বলেছেন সব সাধকের বড় সাধক আমার দেশের চাঁষা”। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী না রাখার উপর গুরুত্বারুপ করেছেন। কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নে দেশে কৃষি মন্ত্রনালয়, কৃষি

বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি ব্যাংক ও কৃষি কলেজসহ কৃষকবান্ধব আরো অনেক কিছু বিদ্ধমান। কিন্তু দেশে এখনো খাদ্য ঘাটতি রয়েছে। বিদেশ থেকে এখনও খাদ্য আমদানি করতে হয়। অন্যদিকে, বেশির ভাগ কৃষক ও কৃষি শ্রমিকের স্বাস্থ্যগত অবস্থা তেমন ভাল না। তাদের জন্য সরকারি ভাবে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখা জরুরি প্রয়োজন। জরুরি সময়ে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য সরকারি মেডিকেল-এ নেওয়া হলেও আইসিইউ সিসিইউ তথা উন্নত চিকিৎসা তাদের কপালে জুটেনা। সাধারন ওয়ার্ড থেকে চিরতরে তাদের বিদায় নিতে হয়। কৃষক শ্রমিকের সন্তানদের জন্য বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্থাও নাগালের বাইরে । প্রযুক্তিগত বিশ্বের চলমান শিক্ষা ব্যাবস্থা হতে তারা অনেক দুরে। অর্থনৈতিক দুরাবস্তার কারনে পিছিয়ে আছে তারা। সঠিক পরিচর্চার অভাবে তারা মেধাগত দিক দিয়েও পিছিয়ে রয়েছে। এক কথায় সরকারি উচ্চ শিক্ষা এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যাবস্থা থেকে তারা বঞ্চিত।

অপরদিকে, বন্য হাতির আক্রমনে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতি বছর অনেক কৃষক এবং কৃষি শ্রমিক মারা গেলেও সরকারি বন অধিদপ্তর এব্যাপারে কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়না। দেশে আমদানিকৃত অনেক দিবস থাকলেও ৮০% কৃষকের দেশে এখনো কৃষি দিবস বা কৃষক দিবস নেই। বছরের একটি দিনকে কৃষকদের সম্মানার্থে কৃষি দিবস বা কৃষক দিবস ঘোষনা এবং উল্লেখিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিকট বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। দেশকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে দেশের কৃষক শ্রমিক এবং তাদের সন্তানদের বিষয়ে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে। কারন কৃষক শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। লেখক- সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন- প্রতিষ্টাতা – আমরা কৃষকের সন্তান পরিষদ, বাংলাদেশ।