ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ , , ৯ সফর ১৪৪০

গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর শ্মশানঘাটে কিশোরের লাশ, আটক ২

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৮ ৩:৪৫ দুপুর

গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর পিয়াস নন্দী (১৬) নামের এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বারৈপাড়া শ্মশান ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ৬ আগস্ট সোমবার নিহতের বড় ভাই পাভেল নন্দী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা (নং ৫) দায়ের করেন। সে প্রেক্ষিতে পুলিশ এজাহার নামীয় ২ জনকে আটক করেন।

উদ্ধার, মামলা ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুবকর মিয়া।

নিহত কিশোর উপজেলার চক জামালপুর এলাকার বারৈপাড়া গ্রামের মৃত মৃদুল নন্দীর ছেলে। পিয়াস স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করত।

নিহতের বড় ভাই পাভেল নদী জানান, গত শনিবার রাত ৮টার দিকে পিয়াস একই গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে অপু দাসের সাথে বের হয়। পরে রাত ৯টার পর পিয়াসের ব্যবহৃত মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরদিন রবিবার সকালে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং ৪৫১) করা হয়। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় জানতে পারি বারৈপাড়া শ্মশান ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে তার লাশ পড়ে আছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ সুলতান উদ্দিন জানান, রবিবার সন্ধ্যায় বারৈপাড়া শ্মশানঘাট সংলগ্ন নদীর তীরে ওই কিশোরের লাশ পড়ে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ওইদিন সন্ধ্যায়ই ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তবে তার গলার নিচে আঘাত ও ডান কানে রক্তের দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুবকর মিয়া জানান, মামলা হয়েছে। আর মামলার প্রেক্ষিতে উপজেলার বারৈপাড়া গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে অপু দাস ও খলাপাড়া গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে ফারুক ওরফে বাক্কাকে আটক করেছে পুলিশ। বাকী আসামীদের ধরার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।