ঢাকা, সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ , , ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪০

চট্টগ্রামে তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট চট্টগ্রাম: । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯ ৭:২৬ সকাল

 

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। এর আগে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবল লাইন স্থাপনের মাধ্যমে সন্দ্বীপে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা কার্যক্রমও উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, পটিয়ার জুলধায় ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র (৩য় ইউনিট), শিকলবাহা (২৩০/১৩২ কেভি) উপকেন্দ্র, বারৈয়ারহাট (১৩২/৩৩কেভি) উপকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়া রাঙামাটি, মহেশখালীসহ বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৬টি পাওয়ার স্টেশন ও ৭টি গ্রিড উপকেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

৭টি গ্রিড উপকেন্দ্রের মধ্যে রাঙামাটির (১৩২/৩৩ কেভিএ) উপকেন্দ্র, মহেশখালীর মাতারবাড়ি (১৩২/৩৩ কেভিএ) উপকেন্দ্র রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমরা খাদ্য নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়েছি। এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে চাই। সে লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের জন্য এখন আর মানুষকে ছোটাছুটি করতে হয় না। দেশের ৯৩ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য এখন বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এক অন্যরকম ও উন্নত বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরতে সরকার কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ১২টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন। এছাড়া, ৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ৯টি গ্রিড উপকেন্দ্র এবং সন্দ্বীপের বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বাংলাদেশে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে। এখন আর বিদ্যুতের জন্য গ্রাহকদের গুরতে হয় না। বরং সংযোগ পৌঁছে যাচ্ছে গ্রাহকদের কাছে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত ‍ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধ পরিকর। এর জন্য সুনির্ধারিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। ২০২০ সালের মধ্যে আরও বেশি উন্নয়ন ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এক উন্নত বাংলাদেশকে দৃশ্যমান করতে কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান, পিডিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ প্রমুখ।