ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭ , , ২৮ সফর ১৪৩৯

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মহসিনের গ্রেফতারের দাবি করেছে আমিরাত ব্যবসায়ী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ ১১:২৩ সকাল

চট্টগ্রাম :: সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী ব্যবসায়ী মো ইয়াকুব সুনিককে চাঁদার দাবিতে হত্যার হুমকী এবং পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ ওঠেছে। মোহাম্মদ মহসিন নামে ওই সন্ত্রাসীর হাত থেকে রক্ষা পেতে রবিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই ব্যবসায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে মহসিনকে গ্রেফতারপূর্বক সুনিক ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন।

দুবাই বিজনেসম্যান কাউন্সিলরের এক্সিকিউটিভ মেম্বার ও আমিরাত কমিনিউটি নেতা মোহাম্মদ সুনিক এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সম্প্রতি আরব আমিরাতের কনস্যাল জেনারেলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।

সংবাদ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আলী আকবর চৌধুরী, প্রকৌশলী অলিউদ্দিন সিদ্দিকী ফুয়াদ, দুবাই প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. হাসেম, মো জাহিদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে সুনিক লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত দুই বছর আগে মহসিনের দুই ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে স্থানীয় লোকজন তার দুই ভাই ফরিদ ওরফে টাইগার ফরিদ এবং আবু ছিদ্দিক ওরফে ছুরি আবুকে গণপিঠুনী দিয়ে হত্যা করে। তার দুই ভাই ফরিদ ও আবু নিহত হওয়ার পর থেকে তাদের বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ করছেন মহসিন। এ মৃত্যুকে পুঁজি করে মহসিন চাঁদাবাজিতে নেমে পড়ে। মহসিন স্বচ্ছল লোকজনকে আসামী করে আর্থিক ভাবে সুবিধা ভোগ করার চেষ্টা করছে। আমি আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল থাকায় এখন আমাকে টার্গেট করে মাঠে নেমেছে।

সুনিক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন খাজা রোড এলাকায় বসবাস করেন। গত ঈদে ছুটিতে বাড়িতে আসলে মহসিন ২০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে হত্যার হুমকী দিতে থাকে। এ টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা ও গুমের হুমকী দেয়। এরপর তিনি পালিয়ে আরব আমিরাতে চলে যান। ২০ সেপ্টেমবর দেশে এসে চান্দগাঁও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয় থানা মামলাটি এসআই আবদুর রহিমকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু এখন এসআই উল্টো তাকে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ করেন সুনিক।

এসআই আবদুর রহিম আমার কাছে ২৫ লাখ টাকা দাবি করছে। এ টাকা না দিলে আমাকেই হয়রানী করা হবে বলে হুমকী দিচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন মহসিনের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং অস্ত্র মামলা রয়েছে। সে চকবাজার এলাকার নুরু হত্যা মামলার আসামী। তিনি ব্যবসায়ী এবং গণ্যমাধ্য ব্যক্তিদের ভাইদের হত্যা মামলার আসামী বানানোর হুমকী দিয়ে চাঁদাবাজি করেন। আমি প্রবাসী হিসেবে সরকার ও প্রশাসনের নিকট মহসিনের গ্রেফতারের দাবি করছি। আমার পরিবারের নিরাপত্তার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।