ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৮ , , ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

টাঙ্গাইলে ১৪ জেএমবি সদস্যের ২০ বছর করে কারাদণ্ড

ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৭ ১১:৪৪ সকাল

টাঙ্গাইল: ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় টাঙ্গাইলে ১৪ জেএমবি সদস্যকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার টেকপাড়া গ্রামের দীন মোহাম্মদের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মাদারকোল গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন মিয়া, সবুর মাস্টারের ছেলে মিজান, রাজ্জাক মুন্সির ছেলে আব্দুল আহাদ, মোংলা মিয়ার ছেলে হাবিল, মধু মিয়ার ছেলে রোস্তম, আব্দুলাহেল বাকির ছেলে তারিকুল, কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামের আখম আজাদের ছেলে আরমান বিন আজাদ এবং মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে আব্দুলা আল মামুন ওরফে সোহেব ও রাসেল, বাসাইল উপজেলার হাবলা দক্ষিণপাড়া গ্রামের শাজাহান মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান, গোপালপুর উপজেলার পলসিয়া গ্রামের সুলতান হোসেনের ছেলে জিয়াউর রহমান ওরফে তানভীর, বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার তোরাব বেফা গ্রামের মোতাহার আলীর ছেলে শহীদুল ইসলাম এবং ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার শরিফবাগ গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আব্দুল্লা আল তাসনিম।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আরমান বিন আজাদ, রাসেল, তারিকুল এবং আব্দুল্লা আল তাসনিম পলাতক রয়েছেন।

মামলার আসামি শায়েখ আব্দুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাইয়ের অপর এক মামলায় মৃত্যুদণ্ড‍াদেশ কার্যকর হওয়ায় এবং হাবিল নামে অপর এক আসামির কারাগারে মৃত্যু হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইল শহরের বেবীস্ট্যান্ড, শহীদ জগলু রোড ও আদালত এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিনই টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশি তদন্তে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নাম বের হয়ে আসে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম খান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন শামীম চৌধুরী।