ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭ , , ৩০ মুহররম ১৪৩৯

তিনিই পটিয়ার অহংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৭ ৩:০১ দুপুর

বঙ্গবন্ধু ঘোষিত পটিয়া জেলা দুর্ভাগ্যবশত বাস্তবায়ন হয়নি। ভাগ্যলক্ষীর দোষ ছিল না। কিছু পটিয়া বিদ্বেষি পার্শ্ববর্তী এলাকার সিনিয়র নেতাদের পটিয়া বিদ্বেষ ছিল প্রধান কারণ। তাইতো স্বাধীনতার পর থেকে বার বার কেটে খুটে পটিয়াকে ক্ষত বিক্ষত করে নতুন নতুন থানা ও উপজেলার সৃষ্টি হয়েছে। বার বার ওসব নেতাদের রক্ষচক্ষু শিকার হয়েছে পটিয়াবাসী। এর মূল কারণ ছিল, পটিয়ার যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। আসলে এরকম যোগ্য নেতৃত্বে অভাব না! পটিয়ার যোগ্য নেতৃত্বকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করে দেয়া হয়েছিল নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যধে। সম্প্রতি বঞ্চিত পটিয়াবাসীকে স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর এসে আশার সঞ্চার করছে পটিয়ার কৃতি সন্তান বিজিএমইএ সহ সভাপতি মোহাম্মদ নাছিরের কর্মকা-। জাতীয় পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্বের পটিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী সৃষ্টি হয়েছে। লাল সবুজের বাংলায়, তার মাঝে ঐতিহ্যবাহী পটিয়ার নতুন দিগন্ত খুঁজে পাচ্ছে পটিয়াবাসী।


সূত্রে জানা যায়, গত ৮ বছরে প্রধনামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের বিভিন্ন মন্ত্রীদের সাথে ১২ বার দেশের বাইরে সফর সঙ্গী হয়েছেন মোহাম্মদ নাছির। সম্প্রতি তিনি দেশের ৫ জন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি গোলটেবিল বৈঠকের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ২০২১ ভিশন বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিজিএমইএ এর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রায় প্রতিদিন টিভি টকশো, সাক্ষাতকারে অংশগ্রহন করে দেশব্যাপী সকলের নজর কাড়েন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের গত সাধারণ পরিষদেও তিনি সফরসঙ্গী হিসেবে অংশগ্রহন করে দেশে ফিরেন। এছাড়াও বছরের বেশিরভাগ সময় দেশের হয়ে বিদেশে গিয়ে পোশাক শিল্পের সফলতার জন্য কাজ করছেন। তার এতসব কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে তিনিই আসলে পটিয়ার অহংকার। শুধুমাত্র জাতীয় পর্যায়ে নয়, তিনি ‘পটিয়া আমার মা, আমি পটিয়ার সন্তান’ স্লোগান নিয়ে পটিয়ার মাটি, মা, ও মানুষের জন্য কাজ করতে যাচ্ছেন।

পটিয়ার মানুষের সাথে আজীবন থাকার আশা ব্যক্ত করে তিনি ইতিমধ্যে পটিয়ার অসহায় দু:স্থ নারীদের বিনামূলে সেলাই প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন। পটিয়া বন্যা দুর্গত অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। অগ্নিদূর্গত মানুষের পাশে ছুটে এসেছেন। হাজারো ব্যস্ততার মাঝে পটিয়ার অবহেলিত, নির্যাতিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পাশে থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে পটিয়ার বদনাম বা দু:খখ্যাত মাদক ও ইয়াবার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। তিনি যখন সময় পান তখন পটিয়ায় ছুটে আসছেন। তার এসব কর্মযজ্ঞ পটিয়ার মাটি ও মানুষের কাছে সম্প্রতি বেশ আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দেশের টিভি চ্যানেল সমূহে তার উপস্থিতি দেশের জাতীয় ও তারকা নেতাদের পর্যায়ে চলে গেছেন। যার স্বাদ পটিয়াবাসী অন্য একটি রাজনৈতিক নেতার চ্যানেল আইয়ের তৃতীয় মাত্রা ছাড়া আর কোথাও পায়নি। কিন্তু সম্প্রতি টিভি চ্যানেল খুললে এ বুঝি পটিয়াকে দেখা যায়, এ পর্যায়ে আছেন পটিয়ার কৃতি সন্তান মোহাম্মদের নাছিরের কর্মযজ্ঞ।


তাই আমরা পটিয়াবাসী প্রতিদিন গর্ববোধ করতে পারি মোহাম্মদ নাছিরকে নিয়ে। যিনি পটিয়ার সন্তান হয়ে দেশের উন্নয়ণে প্রতিদিন দিক নির্দেশনা, পরিকল্পনা ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তবে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। এরআগে যতগুলো নেতা জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দিতে চেয়েছিলেন তাদের অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দেয়া হয়েছিল। পাশ্ববর্তী এলাকার জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের সাথে এ ষড়যন্ত্রে পটিয়ার কিছু ষড়যন্ত্রকারী জড়িত ছিল। তাই এ প্রস্ফুটিত এ নেতৃত্বকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। পটিয়ার স্বার্থে, পটিয়ার মানুষের স্বার্থে। বীর পটিয়া যেন দেশে বীরের মত পরিচিতি পায় সংসদে, টিভিতে, জাতীয় পর্যায়ে বীরের বেশে অংশগ্রহন করতে পারে।

এক নজরে মোহাম্মদ নাছির:
মোহাম্মদ নাছির একাধারে একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবক। তিনি ১৯৬৫ সালের ১২ই মার্চ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার রসিদাবাদ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি অত্যন্ত সৎ, সাহসী ও মেধাবী। ছাত্রাবস্থায় তিনি উপলব্ধি করেন যে, বেকারত্ব দেশের জন্য একটি বড় সমস্যা যা আমাদের সমাজ ও পরিবারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ¯œাতক পাশ করার পর আট-দশজনের মতো চাকরির জন্য চেষ্টা না করে তিনি ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন, কারন তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে শত শত লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব। ব্যবসার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও ছাত্রাবস্থা থেকেই মোহাম্মদ নাছির সরব ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ব্যবসায়ীর পাশাপাশি ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন দূরদর্শী রাজনীতিবিদ: দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাগিত থেকেই জনাব মোহাম্মদ নাছির ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত। শুরু থেকেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পটিয়া উপজেলা শাখার সাবেক সদস্য। দলের প্রতি একনিষ্ঠতা ও ত্যাগের ফলে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের একজন স্বনামধন্য নেতা হিসাবে সকলের মাঝে খ্যাতি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক।

সফল ব্যবসায়ী
তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে তিনি তার ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন। ব্যবসা হিসাবে পোশাক শিল্পকে বেঁছে নেয়ার পেছনেও রয়েছে তার সমাজ ও দেশের কল্যাণমূখী ভাবনার প্রতিফলন। শ্রমঘন শিল্প হিসাবে পোশাক কারখনায় অপেক্ষাকৃত অধিক লোকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হবে যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মেধার দ্বারা ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন মাসুদ গ্রুপ। বর্তমানে তিনি মাসুদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।


তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী নেতাও:
মোহাম্মদ নাছির নিজেকে কেবল একজন সফল ব্যবসায়ী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি পোশাক শিল্পের একজন সম্মুখ সারির নেতা হিসাবে তিনি সকলের কাছে এক অত্যন্ত পরিচিত মুখ। বর্তমানে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর সহ-সভাপতি (অর্থ) হিসাবে তিনি পোশাক শিল্পের উন্নয়নে নিরলস ও একনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছেন। সহ-সভাপতির পূর্বেও তিনি দুই মেয়াদে বিজিএমইএ’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মোহাম্মদ নাছির দেশের শীর্ষস্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সংগঠনসমূহের সাথে জড়িত। তিনি এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশ এর একজন সক্রিয় সদস্য। ব্যবসায়িক প্রতিনিধি হিসেবে মোহাম্মদ নাছির মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হয়ে তিনি তুরস্ক, হাঙ্গেরী, জাপান ও ভারত সফর করেন। তাছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসাবে মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের বাণিজ্যস্বার্থ রক্ষার জন্য কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবীতে অনুষ্ঠিত ১০তম ডঞঙ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারনের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, জাপান, সুইজারল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ একাধিকবার সফর করেছেন।
নিবেদিত সমাজসেবক
শিল্পের প্রসার যেমন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য, তেমনি তা অপরিকল্পিতভাবে হলে পরিবেশ ও সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিবেশের উপর শিল্পের ক্ষতিকর প্রভাব নিরসনে বিশ্ব ব্যাংকের গৃহীত চধৎঃহবৎংযরঢ় ভড়ৎ ঈষবধহবৎ ঞবীঃরষব (চধঈঞ) এর সম্মানিত কো-চেয়ার হিসাবে জনাব মোহাম্মদ নাছির পরিবেশ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাছাড়া সমাজকে মাদকদ্রব্যের ভয়ানক ছোবল থেকে নিরাপদ রাখার জন্য তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি মাদকদ্রব্য সেবন বিরোধী সংগঠন ঝড়পরবঃু ভড়ৎ অহঃর-ধফফরপঃরড়হ গড়াবসবহঃ এর সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি উত্তরা ক্লাব লিঃ, আর্মি গলফ্ ক্লাব, অল কমিউনিটি ক্লাব লিঃ, এ্যাপারেল ক্লাব লিঃ, বাংলাদেশ ক্লাব লিঃ এর সদস্য। তিনি চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকা’র প্রাক্তন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পটিয়া সমিতি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম ফোরাম উত্তরা’র প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক।
এশাধারে তিনি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিতি পান:
মোহাম্মদ নাছির তাঁর নিজস্ব পৃষ্ঠপোষকতায় পটিয়া, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর যোগ্য তত্ত্বাবধানে সেসব প্রতিষ্ঠান সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মোহাম্মদ নাছির বিজিএমইএ ইউনির্ভাসিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর ট্রাষ্টি বোর্ডের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। বিইউএফটি বেসরকারী উদ্যোগে গঠিত ফ্যাশন টেকনোলজির ওপর বাংলাদেশের সর্বপ্রথম এবং একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি তিনি পটিয়ায় গরীব অসহায় দু:স্থ মহিলাদের জন্য গড়ে তোলেন সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
শ্রমিক ভাই-বোনদের অকৃত্রিম বন্ধু মোহাম্মদ নাছির:
মোহাম্মদ নাছির যেমন একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে হাজারো শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছেন, তেমনি তিনি শ্রমিক ভাই-বোনদের কল্যাণে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন। তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক শ্রমিকদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত “রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প কেন্দ্রিয় তহবিল”- এর একজন সদস্য, “দূর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা সহায়তা ট্রাস্ট” এবং পোশাক শিল্প সংক্রান্ত “ত্রিপক্ষীয় পরামর্শক পরিষদ” (টিসিসি) -এর একজন সদস্য। মোহাম্মদ নাছিরের সক্রিয় উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭শে আগষ্ট তাঁর নিজস্ব কার্যালয়ে ২০০ জন শ্রমিকদের ওয়ারিশ ও পঙ্গুত্ববরণকারী শ্রমিক ভাই-বোনদের মাঝে বীমার চেক হস্তান্তর করেন। এছাড়াও মোহাম্মদ নাছির কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তার নিমিত্তে বার্লিনে অনুষ্ঠিত জার্মান ইকনোমিক কো-অপারেশন ও ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রণালয় আয়োজিত ডিজিইউভি কনফারেন্সে বাংলাদেশের পক্ষ হতে অংশগ্রহণ করেন।
দক্ষ সংগঠক
বাল্যকাল থেকেই মোহাম্মদ নাছিরের রয়েছে অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা। তার এই সহজাত গুণ তাকে বিভিন্ন জাতীয় সংগঠনসমূহে গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন ও সাফল্যের সাথে নেতৃত্ব প্রদানে সহযোগিতা করেছে। তিনি বাংলাদেশের পোশাক ও বস্ত্রখাতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত জগএ ধহফ ঞবীঃরষব ওহফঁংঃৎু ঝশরষষ ঈড়ঁহপরষ (জঞওঝঈ) এর প্রথম সভাপতি। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে জঞওঝঈ দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি অংরধহ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ইধহশ (অউই) ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে গৃহীত দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নমূলক প্রকল্প ইএগঊঅ ঝশরষষ ভড়ৎ ঊসঢ়ষড়ুসবহঃ ওহাবংঃসবহঃ চৎড়মৎধস (ঝঊওচ) এর আহ্বায়ক। ঈবহঃবৎ ড়ভ ঊীপবষষবহপব ভড়ৎ ইধহমষধফবংয অঢ়ঢ়ধৎবষ ওহফঁংঃৎু (ঈঊইঅও) এর সহ-সভাপতি। মোহাম্মদ নাছির পোশাক শিল্পের ব্যবসা সম্প্রসারনে আয়োজিত দেশের সর্ববৃহৎ আয়োজন ঢাকা এ্যাপারেল সামিট-২০১৭ এর প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামিটটি উদ্বোধন করেন যেখানে দেশি-বিদেশি মন্ত্রীবর্গ, কূটনৈতিক, শীর্ষ ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সরকারী ও বেসরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সাংবাদিক অংশগ্রহন করেন।
তিনি এখন জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব:
মোহাম্মদ নাছির বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব ও বাগ্মি হিসেবে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে একজন পরিচিত মুখ। টেলিভিশন টকশো, সংবাদপত্র, গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনারে নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে ব্যবসা, পোশাক শিল্প ও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে বলিষ্ঠ মতামত প্রদানের মাধ্যমে তিনি দেশের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।