ঢাকা, রোববার, ২৭ মে ২০১৮ , , ১২ রমজান ১৪৩৯

দৌলতপুরে স্বাস্থ্য সহকারীকে অপহরণ মামলা অভিযুক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারী গ্রেফতার শিক্ষক

জালাল উদ্দিন ভিকু, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮ ১২:৪৫ দুপুর

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ্ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারী চামেলী আক্তার অপহরণ মামলায় এক স্কুল শিক্ষককে পুলিশ আটক করেছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে অপহরণ ঘটনার পর ভোর রাতেই ফরহাদ হোসেন নামের ওই শিক্ষককে আটক করা হয়। তবে মুল আসামী শিবালয় উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারী ফরিদ মিয়া ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ফরিদ মিয়া অপহরণ করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের লোকজন জানান-চামেলী আক্তার বর্তমানে দৌলতপুর হাসপাতালে ডেপুটেশনে রয়েছেন। গত মঙ্গলবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে কাজ করেন। এরপর পায়ে হেটে বাড়ি ফেরার পথে হাসপাতালের অদুরে ওৎ পেতে থাকা ফরিদ মিয়াসহ কয়েকজন যুবক জোর করে একটি মাইক্রোবাসে চামেলীকে তুলে নিয়ে যায় ।
চামেলীর ভাই মো: জুয়েল রানা জানান, বছর খানেক আগে পারিবারিক ভাবে তার বোনের সাথে ফরিদ মিয়ার বিয়ের কথাবার্তা হয়। ফরিদসহ তার পরিবারের লোকজন চামেলীকে দেখতেও এসেছিল। তবে তাদের পরিবারের কেও ফরিদ মিয়াকে পছন্দ করেননি। যে কারনে তারা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হননি। কিন্তু ফরিদ মিয়া এরপরও চামেলীকে বিরক্ত করতো। জুয়েল রানা বলেন লোকমুখে ঘটনা জানার পরপরই তিনি বাদি হয়ে ফরিদ মিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেছেন।
এদিকে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে ফরিদ মিয়া শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অফিস সহকারীর দায়িত্বে আছেন। শিবালয় উপজেলা পরিবার কল্যাণ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আরশাদ উল্লা জানান ঘটনার দিন অর্থাৎ গত মঙ্গলবার ফরিদ মিয়া অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও জানান ফরিদ মিযার সাথে চামেলী আক্তারের বিয়ে ঠিক হয়েছিল বলে তিনি জানতেন। কিন্তু অপহরন সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
এ ব্যাপারে ফরিদ মিয়ার সাথে টেলিফোনে যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুনীল কুমার কর্মকার জানান অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ মামলার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে শিবালয় উপজেলার একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ফরহাদ হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ফরিদ মিয়ার বোন জামাই ফরহাদ হোসেন। ওসি বলেন ভিকটিমকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে আটকের চেস্টা চলছে।