ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , , ৮ মুহররম ১৪৪০

ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক বৈশাখি উৎসব: মোছলেম উদ্দিন

সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৭ ৩:০৬ দুপুর

বৈশাখি মেলার উদ্বোধন-১
বোয়ালখালীর পশ্চিম কধুরখীল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে তিনদিন ব্যাপি বৈশাখি মেলার উদ্বোধন করছেন মোছলেম উদ্দিন আহমেদ।

নিউজ ডেস্ক, সিএনএন বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম :: বোয়ালখালীতে বর্ষ বিদায় ও বর্ষ বরণ উপলক্ষে তিন দিন ব্যাপি বৈশাখি মেলা শনিবার শেষ হয়েছে। পশ্চিম কধুরখীল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এ মেলার আয়োজন করে বোয়ালখালী বৈশাখি মেলা উদযাপন পরিষদ। গত ১৩ এপ্রিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দিন আহমেদ। এ সময় তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলা নববর্ষকে বাঙালির প্রধান উৎসব বলে অভিহিত করে বলেন, এ উৎসব সর্বজনীনতায় ও স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। শিকড়ের গন্ধমাখা কৃষ্টি। বাঙালির আত্মপরিচয়ের আয়না। আমাদের আশাজাগানিয়া দিন। এ উৎসব ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক। তিনি বলেন, বাঙালি জাতি বারবার বিদেশি শক্তির শাসন-শোষণে, নিপীড়িত-নিঃগৃহীত হয়েছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য-উতৎসব পালনে বাঙালি জাতিকে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়েছে— যা আজ ইতিহাস। এরপরও বাঙালি তার আপন সত্তা ও ঐতিহ্য থেকে আদর্শ-বিচ্যুত, অথর্ব জাতিতে পরিণত হয়নি। তাই এই উৎসবকে আমরা লালন করবো প্রতি বছর। বোয়ালখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহজাদা এস এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারি চৌধুরী লোকমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আখতার, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুরাইয়া আকতার সুইটি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন মো. এমরান, শাহনেওয়াজ হায়দার শাহীন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আমিন, আওয়ামী লীগ নেতা তারেকুল ইসলাম, কাজী রাসেল, যুবলীগ নেতা কাজী খোরশেদ মিল্টন প্রমুখ। মেলার সমাপনী দিনে শনিবার তারেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা এম এ ঈছা, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালেদ হেলাল, অধ্যক্ষ আবদুর রশিদ, শফিকুল ইসলাম, আবুল কাসেম, আসলাম চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফরিদুল আলম, মোহাম্মদ এনাম, মোরশেদ প্রমুখ।
বর্ষ বিদায়ের অনুষ্ঠানমালায় ছিল কবি গান, খেলাঘর, দিশারী এবং উদিচি শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনা। দ্বিতীয় দিন পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে ছিল মঙ্গল শোভা যাত্রা, পান্থা ইলিশ পরিবেশন, বিভিন্ন শিল্পী এবং বাবুল আচার্য শিল্পী গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাউল গান এবং নাটিকা। তৃতীয় দিন ছিল চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ব্যান্ড সাসটেইনের পরিবেশনায় কনসার্ট।