ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ , , ৯ সফর ১৪৪০

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মোঃ কামাল হোসেন, চট্টগ্রাম । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৮ ৩:১৪ দুপুর

গত ২৮ জুলাই ২০১৮ সালে ঈঘঘ বাংলাদেশ পত্রিকায় “প্রবাসী দিলীপ বড়–য়ার টাকা স্বর্ণ অলংকার নিয়ে পলাতক স্ত্রী টুম্পা বড়–য়া” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমি রিটু বড়–য়া, পিতা- সাধন বড়–য়া, গ্রাম: কাঝড় দিঘীর পাড়, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, আমি রাঙ্গুনীয়ার পদুয়া ইউনিয়নের হরিহর গ্রামের মৃত বিশ্বমিত্র বড়–য়ার ছেলে দিলীপ বড়–য়ার স্ত্রী টুম্পা বড়–য়া, মেয়ে ঐশী বড়–য়া, ছেলে রাহুল বড়–য়া, ২০ লক্ষ টাকা ১৫ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে গিয়েছি এবং বর্তমানেও পলাতক রয়েছি। সংবাদে আরও বলা হয় যে, দিলীপ বড়–য়া তার স্ত্রী টুম্পা বড়–য়া সহ ছেলে-মেয়েদের চান্দগাঁও থানার বাহির সিগনাল বড়–য়া পাড়ায় বাসা বাড়িতে রাখতেন এবং আমার সাথে তার অবৈধ ও অনৈতিক সম্পর্ক ছিল।

প্রকৃত ঘটনা এই যে, টুম্পা বড়–য়া আমার আত্মীয় ও সম্পর্কে বোন হয়। সে গত ৪ জুন ২০১৭ সালে অন্য একজনের সাথে পালিয়ে যায়। যেহেতু সে (টুম্পা বড়–য়া) পালিয়ে যায় অন্য একজনের সাথে সেহেতু আমি টুম্পা বড়–য়াকে নিয়ে পালিয়েছি এটা যেমন মিথ্যা তেমনি আমি পলাতক এটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আমি কখনও পলাতক ছিলাম না পলাতক হওয়ার প্রশ্নই আসেনা।

টুম্পা বড়–য়া কোন দিনও চান্দগাঁও থানার বাহির সিগনাল বড়–য়া পাড়ায় বাসা বাড়িতে থাকতেন না। সে পালিয়ে যাওয়ার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত টুম্পা বড়–য়ার বাপের বাপের বাড়ি রাঙ্গুনীয়ার সৈয়দ বাড়ির বড়–য়া পাড়ায় থাকত এবং সেখান থেকেই সে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাবার পরপরই তার বাবা প্রকাশ বড়–য়া বাদী হয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। টুস্পা বড়–য়ার সাথে আমার কোন রকম অবৈধ, অনৈতিক বা কোন প্রকারের খারাপ সম্পর্ক ছিল না। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টুম্পা বড়–য়ার স্বামী দিলীপ বড়–য়া আমার আত্মীয় স্বজনদের একটি ছবি দেখিয়ে বলে আমি টুম্পা বড়–য়াকে নিয়ে পালিয়ে গেছি এবং আমার ফেসবুক পেইজে আপলোড দিয়েছি। এরপরই আমি টুম্পা বড়–য়ার স্বামী দিলীপ বড়–য়ার সাথে দেখা করতে চাইলে দিলীপ বড়–য়া বলে সে তার গ্রামের বাড়ি হরিহর গ্রামে নিজ বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও দেখা করবে না। তাই আমি চার-পাঁচজন নিয়ে তার বাড়িতে যায় এবং ছবিটি আমাকে দেখায়। সে যে ছবিটি আমাকে দেখিয়েছিল সেটা টুম্পা বড়–য়া পালিয়ে যাওয়ার ৪ মাস আগে তার মামাতো বোনের শ্বশুর বাড়িতে বিনাজুরী গ্রামে বেড়াতে গেলে তাদের গ্রামের বৌদ্ধ বিহারে তোলা হয়। ছবিতে আরও দুজন ছিল। এই ছবি টুম্পা বড়–য়া বা তার স্বামী দিলীপ ফটোশফ বা অন্য কোন উপায়ে এডিট করে পরিকল্পিত ভাবে আমাকে ফাসানোর চেষ্টা করে। এই ছবি দেখিয়ে দিলীপ বড়–য়া আমাকে বলে তাকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে এবং টাকা না দিলে ছবিটি ফেসবুকে ছেড়ে দিবে। আমরা নানা ভাবে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে দিলীপ বড়–য়ার বাড়ি থেকে চলে আসি। পরে দিলীপ বড়–য়া আমাকে ও আমার আত্মীয়স্বজনদের বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে টাকা দেয়ার জন্য চাপ দেয় এবং টাকা না দিলে আমার নামে মামলা ও হত্যার হুমকি দেয়। টাকা না দেয়ায় দিলীপ বড়–য়া আমার নামে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা মামলা দেয় যা আমি গত ২৮ জুলাই ২০১৮ প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যা মামলা, প্রতারণা ও যাচাই বাছাই না করে সংবাদ পরিবেশন করে আমার সম্মান হানি, হয়রানি ও চরিত্রহীন হিসাবে প্রমাণ করার অপচেষ্টা করায় আমি টুম্পা বড়–য়া, দিলীপ বড়–য়া, সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন সহ ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত সকলের শাস্তি দাবী করছি এবং তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।