ঢাকা, রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , , ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শুক্রবার শেষ

নিউজ ডেস্ক,ঢাকা । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৮ ৫:১৫ দুপুর

এসেছিল ঘোড়ায় চড়ে। গেলো দোলনায়। মা উমা দেবী চলে গেল আজ। বিষাদের সুর লহরিতে কান্নাতে আওয়াজ। বিসর্জনের মধ্য দিয়েই দেবীকে বিদায় আয়োজনের সমাপ্তি।

দিন কয়েকের জন্য আসা মায়ের। ভক্তমনে আনন্দধারার ফুলঝুড়ি বিলিয়ে দিলে। জগৎ মাতালে। তোমার আলোকছটায় সূচি হলো ধরা। অতপর কাঁদিয়ে চলে গেলে।

মায়ের আগমনে পাড়া-মহল্লায় যেন চাঁদ-তারাও নেমে এসেছিল। তোমার ভক্তকুলে সঙ্গ দিয়ে নেচেছিল প্রকৃতিও। আর সেই তুমিই নাকি আঁধার নামালে বিদায়বেলায়! ভক্তমনে যে আঁধার আজ, তা ঘোচাতে ফি বছরের অপেক্ষা।

মর্ত্যে যখন এসেছিলে, তখন চলে তো যাবেই। তোমার পথ রুদ্ধ করে এমন সাধ্য কার! হিমালয়ের দেশে তোমার বাস। যাবে তো সেখানেই। তাই বলে এত তাড়া তোমার! যে বোধনে অগ্নি দিয়ে পবিত্র হলো ভক্ত মন, এক মুহূর্তেই তা আড়াল হয় কী করে!

ও রূপ আড়াল হবার নয়। মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই ভক্তের পথচলা। জগৎ মাকে ধারণ করেই সন্তানের আনন্দমেলা।

শারদীয় আনন্দবংশীতে বেদনার সুর বেজেছিল নবমীর ঊষালগ্নেই। নবমীর দিন-রাতেই মহোৎসবের তুঙ্গলগ্ন ঘটে। তাই ঘটেছিল গতকাল নবমীতেও। ঢাকের বাদ্যে ভক্তরা উম্মাদ বনে যায় মণ্ডপে মণ্ডপে। নেচে-গেয়ে আনন্দ ডানা মেলে ধরে সর্বজন। এ আনন্দ যাত্রায় সামিল হয়েছিল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই। ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ সম্প্রীতির এই বাণীকেই ধারণ করেই বাঙালি গ্লানি আর অধর্মকে দূরে ঠেলছে।