ঢাকা, রোববার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯ , , ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

‘রেমিটেন্স ফাঁকি ও অনলাইন হুন্ডি করছে বিকাশ!’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৯ ৪:০৯ দুপুর

চট্টগ্রাম :: প্রবাসীদের মধ্যে এমন অনেক ভাই বোনেরা আছেন যারা ব্যাংকিং পন্থা তথা বৈধ ভাবে দেশে টাকা পাঠান না। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা পাঠান।এতে করে সরকার বিপুল পরিমাণ রেমিটেন্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ইদানিং বিকাশ নামক মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পাঠান প্রবাসী ভাই ও বোনেরা । কিন্তু বিকাশ কর্তৃপক্ষ টাকা গুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে সরাসরি না পাঠিয়ে এজেন্টের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করছে ও নিরবে নগদ টাকা লেনদেন করছেন।

তারা (বিকাশ) সরাসরি টাকা না পাঠানোর কারণে এই ক্ষেত্রেও সরকার বিপুল অংকের রেমিটেন্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একপ্রকার অনলাইন হুন্ডির মাধ্যমে টাকা দেশে আনা হচ্ছে। তার মানে কোন রেমিটেন্স সরকারকে না দিয়ে ফোন করে অবৈধভাবে বাংলাদেশে একজন গ্রহককে টাকা দেওয়া হচ্ছে।’

বিকাশের বিরুদ্ধে এমন জোরালো অভিযোগ তুলেছেন কাতার প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, নুর মোহাম্মদ। শনিবার (৫ জানুয়ারী) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত প্রবাসী সহায়তা ডেস্ক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অভিযোগ করেন তিনি ।

জনাব নুর মোহাম্মদ স্পষ্ট অভিযোগ করে বলেন, বিকাশের ওয়েবসাইটে বলা আছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ব্র্যাক ব্যাংক মনোনীত এক্সচেঞ্জ হাউসসমুহ থেকে বিকাশে টাকা পাঠাতে পারবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

তিনি আরো বলেন, বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রেরককে শুধুমাত্র টাকা পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে বিকাশ নির্ধারণ করতে হবে, বাংলাদেশে প্রাপক টাকা পেয়ে যাবেন তার মোবাইল ফোনের বিকাশ একাউন্টে।

বাংলাদেশে প্রাপক নির্ধারিত সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে ক্যাশ আউট সহ বিকাশ প্রদত্ত যেকোন সেবা উপভোগ করতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র।এমনই চলতে থাকলে দেশের সিংহভাগ রেমিটেন্স কালোবাজারে ঢুকে যাবে ব্যাংক খাতে বিরাট ধস নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন এই লেখক ও সাংবাদিক নেতা।

অতিরিক্ত পু্লিশ সুপার (সদর ও প্রশাসন) এ.কে.এম এমরান ভূঁঞার পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা পিপিএম, বিপিএম। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী,প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন ।