ঢাকা, সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ , , ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪০

সুনামগঞ্জের ইমন হত্যা ৪জনের মৃত্যুদ

জাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া সুনামগঞ্জ । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯ ৩:২৭ দুপুর

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র শিশু ইমন হত্যা মামলায় বুধবার (৬ফেব্রুয়ারি)বেলা সাড়ে ১২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রেজাউল করিম চারজনের মৃত্যুদ-ের রায় দিয়েছেন। রায়ে আসামিদের মৃত্যুদ-ের পাশাপাশি ২০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামিরা হলেন-বাতিরকান্দি গ্রামের সালেহ আহমদ (পলাতক), একই গ্রামের রফিক, জায়েদ ও উপজেলা ব্রাহ্মণজুলিয়া গ্রামের সুজন।
দ্রুত সময়ে রায়ের তারিখ ঘোষণা করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী প্রবাস ফেরত জহুর আলী।
অপহরণ ও মামলা দায়েরের প্রায় সাড়ে ৭মাস পর ২০১৬সালের ২১নভেম্বর ৭জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
অভিযুক্তদের মধ্যে ৩জনকে বাদ দেন আদালত। অপর চার আসামির মধ্যে বাতিরকান্দি গ্রামের সালেহ আহমদ ছাড়া একই গ্রামের রফিক,জায়েদ ও উপজেলা ব্রাহ্মণজুলিয়া গ্রামের সুজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় সালেহ আহমদ (পলাতক)ছাড়া অন্য আসামিরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন,বর্তমানে হবিগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শহীদুল আমিন ও সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহা,চিকিৎসক,তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নিহতের মা বাবাসহ ২৩জন।
এরআগে গত সোমবার (৪ফেব্রুয়ারি)যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ধার্য্য করেন বিচারক।
শিশু ইমন হত্যা মামলায় গত ২৪জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শুরু হয়।

মামলা সূত্রে জানাযায়,ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান ইমনকে ২০১৫সালের ২৭মার্চ অপহরণ করা হয়। মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে। এরপর ৮এপ্রিল মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী স্থানীয় মসজিদের ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকা-ে ব্যবহৃত ছুরি,বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে এবং জড়িতদের গ্রেফতার পুলিশ।