ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ , , ৬ শাওয়াল ১৪৩৯

শহীদ মুরিদুল আলম নামের সড়কটির ফলক ভেঙে ফেলায় তীব্র প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম । সি এন এন বাংলাদেশ

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৭ ১:৩০ দুপুর

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, ৬০ দশকের ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার অন্যতম সংগঠক, আওয়ামীলীগের বরেণ্য রাজনীতিবিদ এবং আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’র কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান শিবলীর পিতা, শহীদ মুরিদুল আলমের ফলকটি উদ্বোধন করেছিলেন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও সেতু পরিবহন মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। খুবই কষ্টের বিষয় স্বাধীনতার ৪৭ বছর পূর্তির ঠিক আগেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের দ্বারা এই বিজয় মাসে জাতিকে কলঙ্কিত করলো শহীদের ফলকটি ভেঙে।

স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকার পরও যেভাবে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের উপর নির্যাতন-বর্বরতা চলছে আর যদি স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় না থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের অস্থিত্ব থাকবে কি?

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিৎ দত্ত সৈকত, আমুস উপদেষ্টা মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আমুস উপদেষ্টা এম.এ. লতিফ টিপু, আমসু উপদেষ্টা কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, আমুস উপদেষ্টা ও দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, আমুস কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রুহেল, আমসু মহানগর সহ-সভাপতি সরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, আমুস উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক এস.এম. ফরহাদ আলী, আমুস মহানগর সাধারণ সম্পাদক আশিক রসুল খান বাবু, আমুস দক্ষিণ জেলার সভাপতি এড. রনি কুমার দে, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো: কাশেম, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবলু, আমুস চবি সহ-সভাপতি মঈনুল ইসলাম, আমুস মীরসরাই থানার সভাপতি নয়ন কান্তি ধূম, জয় রায়, আমুস চন্দনাইশবাসীর পক্ষে তৌহিদুর রহমান, মো: জিল্লুর রহমান, মো: রাকিব হোসেন খাঁন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা অতিসত্ত্বর যারা এই শহীদের ফলকটিকে ভেঙে বিজয়ের মাসে জাতিকে কলঙ্কিত করেছে দ্রুত তাদের সনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে চন্দনাইশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও চন্দনাইশ আওয়ামী লীগ নীরব কেনো জানতে চাই।